পাবনার ঘির খ্যাতি নতুন নয়। সেই ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতায় নিয়ে এসেছে একদম খাঁটি এবং প্রাকৃতিক
দানাদার গাওয়া ঘি। আমাদের এই ঘি শুধুই স্বাদ ও গুণে সমৃদ্ধ নয়, এটি আপনার পরিবারের জন্য স্বাস্থ্যকর একটি পছন্দ। গাওয়া ঘি শিশুদের থেকে শুরু করে পরিবারের সবার জন্যই বিশেষ প্রিয়
‘ঘি’ শব্দটি এসেছে সংস্কৃত থেকে, যার অর্থ ‘ছিটানো’। এটি মূলত মাখনের পরিশোধিত রূপ। পুরনো দিনে মাখন গরম আবহাওয়ায় দ্রুত নষ্ট হয়ে যেত। তখনই ঘির উদ্ভাবন, যা দীর্ঘস্থায়ী এবং সংরক্ষণে সহজ। গাওয়া ঘিতে দুধের কঠিন উপাদান নেই, তাই এটি হিমায়নের প্রয়োজন ছাড়াই সংরক্ষণ করা যায়
গাওয়া ঘি বুট্রিক অ্যাসিডের একটি প্রাকৃতিক উৎস, যা অন্ত্রের প্রদাহ কমায় এবং হজম শক্তি বাড়ায়। এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে
গাওয়া ঘি ত্বকের জন্য একটি পুষ্টিকর উপাদান। এটি ত্বককে কোমল এবং মসৃণ করে তোলে। ঘি, বেসন এবং পানি মিশিয়ে তৈরি করা একটি ফেস মাস্ক আপনার ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াব
গাওয়া ঘি মাথার ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে এবং চুলের স্বাস্থ্য বজায় রাখে। এটি চুলের শুষ্কতা কমিয়ে প্রাণবন্ত করে তোলে
গাওয়া ঘিতে থাকা ওমেগা-৩ এবং লিনোলিক অ্যাসিড শরীরের চর্বি পুড়িয়ে শক্তি যোগায় এবং ওজন কমাতে সহায়তা কর
আয়ুর্বেদিক পদ্ধতিতে গাওয়া ঘি নাক বন্ধ সারাতে খুবই কার্যকর। নাসারন্ধ্রে কয়েক ফোঁটা গাওয়া ঘি ব্যবহার করলে তা সঙ্গে সঙ্গেই আরাম দেয়
ম্যাক্রোবায়োটিক নিউট্রিশনিস্ট শিল্পা অরোরা জানিয়েছেন, গাওয়া ঘি ভিটামিন এ, ডি, ই এবং কে সমৃদ্ধ। এটি শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখে, হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখে এবং স্বাস্থ্যকর কোলেস্টেরলের মাত্রা স্থিতিশীল রাখতে সাহায্য করে
ঘিয়ের ভিটামিন ‘কে’ ক্যালসিয়ামের সঙ্গে মিলে হাড়ের স্বাস্থ্য ও গঠন বজায় রাখে। স্বাস্থ্যকর ইনসুলিন ও শর্করার মাত্রা বজায় রাখতে কাজে লাগে ভিটামিন ‘কে।” বলেন চ্যাডউইক। ঘিতে যেসব ভিটামিন রয়েছে -এ, ডি, ই এবং কে, যা আমাদের হৃৎপিন্ড, হাড়ের জন্য খুব উপকারী। এই ঘিয়ের মধ্যে রয়েছে প্রাকৃতিক লুব্রিকেন্ট যা গিঁটে ব্যথা ও আর্থ্রাইটিসের সমস্যা সমাধানে কাজ করে। তাছাড়া এর মধ্যে রয়েছে ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড। এটি অস্টিওপরোসিস প্রতিরোধে কাজ করে এবং হাড়কে ভালো রাখে।
ঘিতে রয়েছে প্রচু বাটাইরিক অ্যাসিড, যা আমাদের খাবার তাড়াতাড়ি হজম করতে সাহায্য করে।যারা কোষ্ঠকাঠিন্যে ভোগেন, তাদের জন্য ঘি খুবই উপকারী।
ঘিয়ের মধ্যে থাকা মিডিয়াম চেন ফ্যাটি অ্যাসিড খুব দ্রুত এনার্জি বাড়াতে সহায়তা করে থাকে।অধিকাংশ অ্যাথলিট দৌড়নোর আগে ঘি খান। এর ফলে ওজনও কমে।
নিউট্রিশনিস্টদের মতে নার্ভের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি সার্বিকবাবে ব্রেন পাওয়ারের উন্নতিতে ঘি-এর কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। আসলে এত উপস্থিত ওমাগা- ৬ এবং ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড শরীর এবং মস্তিষ্ককে চাঙ্গা রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। প্রসঙ্গত, সম্প্রতি প্রাকাশিত বেশ কিছু গবেষমায় দেখা গেছে এই দুই ধরনের ফ্যাটি অ্যাসিড ডিমেনশিয়া এবং অ্যালঝাইমারসের মতো রোগের প্রকোপ কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।
কোলস্টেরল দু ধরনের- উপকারি ও ক্ষতিকর।ঘিতে রয়েছে উপকারি কোলস্টেরল। ঘিতে রয়েছে কনজুগেটেড লিনোলেক অ্যাসিড। এই অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টের অ্যান্টি-ভাইরাল গুণ রয়েছে।যা ক্ষত সারাতে সাহায্য করে।ডেলিভারির পর নতুন মায়েদের ঘি খাওয়ানো হয় এই কারণেই।
প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস থাকায়, ঘি আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।ঘি এর বৈশিষ্ঠ্য হল নষ্ট হয় না- ঘি সহজে নষ্ট হয় না। দীর্ঘ দিন পর্যন্ত ঠিক থাকে ঘি।
ঘিতে রয়েছে প্রচু বাটাইরিক অ্যাসিড, যা আমাদের খাবার তাড়াতাড়ি হজম করতে সাহায্য করে।যারা কোষ্ঠকাঠিন্যে ভোগেন, তাদের জন্য ঘি খুবই উপকারী।





বিশেষ ছাড় ও সীমিত সময়ের অফার পেতে আজই যোগাযোগ করুন!
Copyright © 2025 –Swift Solution all right reserved